মূল অংশে যান

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ

ফাতওয়া নং: ১৭০ তারিখ: ০৩/১২/২০২৫ ঈ.

বরাবর

ফাতওয়া বিভাগ

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।

বিষয়: কসম করা প্রসঙ্গে

প্রশ্নের বিবরণ:

আমি একটা মেয়েকে প্রচন্ড ভালোবাসি, সেও আমাকে ভালোবাসে। এখন আমাদের আমাদের দুই পরিবারের মধ্যে আমাদের বিয়ের বিষয়ে আলোচনা চলছে।আমার যে বিষয়টা নিয়ে সমস্যা সেটা হলো যে, আমাদের এই সম্পর্কের বিষয়ে মেয়ের বড় ভাই জানতে পারে পরবর্তীতে সে তার বোনকে অনেক গালাগালি করে এবং আমাকেও অনেক ভয় দেখায় এবং গালাগালি করে,এরকম ভাবে অনেক হুমকি-ধমকি দিয়ে আমাকে সে বলতে বলায় যে "ওই মেয়ে আমার মা হয়, আমি তার দুধ খেয়েছি"এ ধরনের কথা সে মুখ দিয়ে বলে এবং আমাকে বলতে বলে আমি না বলতে চাইলে সে আমাকে অনেক জোর করে এবং আমাকে এবং আমার পরিবারকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেয় পরবর্তীতে আমি শুধু তার কথা মত "জ্বী, ঠিক আছে, ভাই বললাম তো" এরকম কিছু বলি যদিও আমার এই বিষয়টা পুরোপুরি খেয়াল নাই যে আমি তাকে কোন শব্দ চয়ন করে বলছিলাম,কিন্তু এতটুকু মনে আছে যে, তাকে কথার সাথে আমি বাধ্য হয়ে হুম কিংবা জ্বী এরকম কোন একটা উত্তর দিয়েছি, এমতবস্থায় ওই মেয়েকে আমার বিয়ে করা জায়েজ হবে? আর যদি এটা এমন না হয় তাহলে কি তাকে জায়েজ করে নেওয়ার অন্ন কোনো পন্থা অবলম্বন করার সুযোগ আছে। (বিঃদ্রঃ) আমি নিজে থেকেই ওই মেয়েকে অনেক আগেই কসম করেছিলাম এবং এখনো বলি মাঝে মাঝেই যে আমি তাকে ছাড়া অন্য কাউকে বিবাহ করিব না।সে ছাড়া অন্য কেউ আমার ঘরে বউ হয়ে আসতে পারবে না। আমার ঘরে যদি কেউ বউ হয়ে আসে,তাহলে সেই আসবে। এরকম ভাবে তার কাছে আমি কসম করছি। এখন আমার কি তাকে বিবাহ করা জায়েজ হবে?

সমাধান:

بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما

হ্যাঁ, প্রশ্নোক্ত মেয়েকে বিবাহ করা জায়েয আছে। কেননা কোন মেয়েকে “মা বলা এবং দুধ পান করেছি” বলার দ্বারা বিবাহ হারাম হয় না। সুতরাং ঐ মেয়েটি আপনার জন্য হারাম হয়নি।
 قوله تعالى في سورة "النساء"(٢٤) وأحل لكم ما وراء ذلكم۞  في "الدرالمختار" (٥/١٣١) ويكره قوله أنت أمي ويا بنتي في الشامي: وفي أنت أمي لايكون مظاهرا۞  وفي "مجمع الأنهر" (١/١٥٥) إن المراد وصول اللبن إلى جوفه من فمه أو أنفه فلا فرق بين المص والصب والسعوط هذا إذا علم أن اللبن وصل إليه وإلا لم تثبت الحرمة لأن في المانع شكا كما في أكثر الكتب۞  وفي "الدرالمختار" (٤/٩٩) أسباب التحريم أنواع: قرابة. مصاهرة. رضاع. جمع. ملك. شرك۞  وفي "التاتارخانية" (٤/٣٧٥) ولا تقبل في الرضاع إلا شهادة رجلين أو شهادة رجل وإمرأتين عدول۞

অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ