মূল অংশে যান

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ

ফাতওয়া নং: ৩০১ তারিখ: ১৭/০৪/২০২৬ ঈ.

বরাবর

ফাতওয়া বিভাগ

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।

বিষয়: স্ত্রী ডিভোর্স দিয়েছে, ফেরত আসতে চাই

প্রশ্নের বিবরণ:

আমার বিবাহিত স্ত্রী গত ০১ নভেম্বর ২০২৫ সালে একজনের সাথে পালিয়ে যায়। এরপর আমাকে ০২ নভেম্বর ২০২৫ সালে কোর্টের এডভোকেটের মাধ্যমে নটারি পাবলিক করে ডিভোর্স দেয়। আর তারা এক হুজুরের মাধ্যমে বিয়ে করে। (আমার বিয়ের সময় আমার স্ত্রীকে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশনের সময় ১৮ নাম্বার কলামে ডিভোর্সের অনুমতি দেওয়া ছিল।) এরপর তারা ০৪ নভেম্বরে বাসায় ফেরত আসে। এবং সেদিনই সন্ধ্যায় পারিবারিকভাবে বিচার বসে। সে বিচারে আমার স্ত্রীর পরিবার এবং তার দ্বিতীয় স্বামীর পরিবার বসে। সেখানে আমার স্ত্রীর পরিবার না চাইলেও ছেলের পরিবার কাজীর মাধ্যমে নতুন ভাবে বিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করে। এরপর তাদের এক করে দেওয়ার প্রস্তাব দেয় ছেলে পক্ষ। কিন্তু মেয়ের পরিবার রাজি না হয়ে তারা তাদের মেয়েকে ৩ মাস ১০ দিন বাসায় নিয়ে রাখবে। এরপর আবার তাদের বিয়ে পড়াবে এটা বলে মেয়েকে বাসাই নিয়ে চলে আসে। বাসায় আসার পর মেয়ে, মানে আমার স্ত্রী আমার সাথে (প্রথম স্বামী) যোগাযোগ করে। এবং সে তার ভুল বুঝতে পারে। আমিও তাকে নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করি আবারও। কিন্তু বিয়ে রেজিষ্ট্রেশনের জন্য জটিলতা তৈরি হয়। তারপর গত ৮ জানুয়ারি ২০২৬ সালে তার দ্বিতীয় স্বামীকে কাজীর মাধ্যমে ডিভোর্স দেয়। এখন ইসলামী শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আমি তাকে কিভাবে নিতে পারি? এখন কি তার দ্বিতীয় বিয়ের জন্য ইদ্দত পালন করতে হবে? নাকি আমি এখন চাইলেই আবার তাকে বিয়ে করতে পারব? অথবা বিয়ে না করে এমনি গ্রহণ করতে পারবো?

সমাধান:

بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما

প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী আপনার ডিভোর্সের অনুমতি প্রদান ও স্ত্রীর ডিভোর্স গ্রহণ যদি শুদ্ধ হয়ে থাকে তাহলে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক ছিন্ন হয়ে যাবে, তবে আপনার স্ত্রীর দ্বিতীয় বিয়ে সহীহ হয়নি কারণ দ্বিতীয় বিয়ে করার জন্য শর্ত হলো প্রথম স্বামীর ইদ্দত পালন করা। এখন আপনি যদি পুনরায় তার সাথে সংসার করতে চান এবং আপনার স্ত্রী যদি তিন তালাক গ্রহণ না করে থাকে, তাহলে ইদ্দত পালনের উপর উপযুক্ত দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে নতুন করে মোহর ধার্য করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে।
قال الله تعالى: المطلقات يتربصن بانفسهن ثلاثة قروء(سورة البقرة ٢٢٧۞ وفي "الفتاوى الشامي"(٤/٢٦٦) أما نكاح منكوحة الغير ومتعدته الدخول فيه لا يوجب العده إن علم أنها للغير لأنه لم يقل أحد بجوازه فلم ينعقد أصلا ۞ وفي" الفتاوى الهندية "(١/٣٤٦) لا يجوز للرجل أن يتزوج زوجة غيره وكذلك المعتدة۞ وفي" الفتاوى الهندية "(٢/٣٧٦) فإن إختارت نفسها في قوله إختاري كانت واحدة بائنة۞ وفی "الفتاوی عثمانی"(۲/۴۰۲) اگر تفویض سے مراد یہ ہے کہ اس نے عورت کو اپنے اوپر طلاق واقع کرنے کا اختیار دے دیا ہے تو معاملہ عورت کے ہاتھ میں ہے اگر وہ اپنے نفس پر طلاق واقع کرلے تو طلاق واقع ہو جائے گی ورنہ نہیں ۞

অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ