মূল অংশে যান

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ

ফাতওয়া নং: ৩৭৫ তারিখ: ১২/০৪/২০২৬ ঈ.

বরাবর

ফাতওয়া বিভাগ

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।

বিষয়: তালাক

প্রশ্নের বিবরণ:

আমি আমার স্ত্রী কে অনেক ঘৃণা করতাম আমি আমার জীবনে থাকে মেনে নিতে পারতাম না। সেজন্য আমি মনে মনে ভাবতাম আমি আমার স্ত্রী কে কোনো এক সময় যেকোনো কারণ দেখিয়ে বিদায় দিয়ে দেবো।কিন্তু মাঝেমধ্যে আবার ভাবতাম এরকম একটা কাজ করা ঠিক হবে না এবং দুনিয়া তো মাত্র কিছুদিনের এগুলো ভাবতাম। তারপর আমার স্ত্রীর সাথে মাঝেমধ্যে ঝগড়া হতো তখন আমার স্ত্রী বলতো সে চলে যাবে এবং এমন সংসার এলোমেলো সংসার সে চাই না। তারপর আমি বলতাম তুমি যদি চলে যেতে চাও তাহলে চলে যাও এবং আমি তোমাকে বাধা দেবো না। তখন আমার স্ত্রী বলতো সে একা যাবে না, আমার স্ত্রী বলতো আমরা যারা তাকে নিয়ে আসছি আমরা সবাই যেন তাকে গিয়ে দিয়ে আসি। তখন আমি বলতাম আমি তোমাকে দিয়ে আসতে পারবো না এবং তোমার যদি ইচ্ছে থাকে তাহলে থাকো আর যদি ইচ্ছে না থাকে তাহলে চলে যাও। এসব কথা বার্তায় আমি মনে মনে নিয়ত করতাম সে যদি চলে যায় তাহলে আমিও থাকে তালাক দিয়ে দেবো কিন্তু তখন আমি মনে মনে তোমাকে তালাক দিয়ে দিছি এই নিয়ত করি নাই। তখন তালাক দেওয়ার কোনো ইচ্ছে আমার ছিল না। এখন আমার জানার বিষয় হলো: ইসলামী শরীয়ত অনুযায়ী এসব বিষয়ের জন্য আমার স্ত্রী তালাক হয়েছে কি? এবং আমি যে আমার স্ত্রীকে যে বলেছিলাম তুমি যদি চলে যেতে চাইলে চলে যাও, আমি তোমাকে বাধা দেবো না, এই কথা বলার কারণে আমার স্ত্রী কি তালাক দেওয়ার মালিক হয়েছে কি? যদি আমার স্ত্রী তালাক দেওয়ার অধিকার পেয়ে থাকে তাহলে আমার স্ত্রী কিভাবে তালাক দিতে পারবে? তবে আমার এই কথায় আমার স্ত্রী তালাকের অধিকার পেতে পারে সেটা আমি জানতাম না। আমি ইসলামের শরীয়ত অনুযায়ী সকল কিছুর হালাল সমাধান চাই।

সমাধান:

بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما

: প্রশ্নোক্ত বিবরণ যদি সত্য হয়ে থাকে তাহলে আপনার স্ত্রীর উপর কোন তালাক কার্যকর হয়নি। আপনাদের বিবাহ পূর্বের ন্যায় বহাল আছে, স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করতে পারবেন। এবং"তুমি চলে যেতে চাইলে চলে যাও আমি তোমাকে বাধা দেব না"আপনার এই কথার দ্বারা যেহেতু তালাকের অধিকার প্রদানের নিয়ত ছিল না তাই এর দ্বারা আপনার স্ত্রী তালাক গ্রহণের মালিক হয়নি।
في النهر الفائق (٢/٣٥٦)(لا تطلق بها) أي: بالكناية يعني قضاء (إلا بالنية)أي: نية الطلاق۞ وفي البحر الرائق(٣/٥١٨)باب الكناية: لا تطلق بها إلا بالنية أو دلالة الحال۞ وفي هداية(٢/٣٧٦)واذا قال لامرأته اختاري ينوي بذلك الطلاق او قال لها طلقى نفسك فلها ان تطلق نفسها ما دامت في مجلسها ذلك فان قامت منه او اخذت في عمل اخر خرج الامر من يدها۞ وفي كفاية المفتى(٦/٣٩) جواب:اگر اس کا خواند اقرار کرے کہ میں نے الزام ناجائز تعلق کا لگایا تھا اور غلط تھا اور قسم کھائے کہ میں نے جو کہا تھا کہ چلی جا اس سے طلاق کی نیت نہیں کی تھی تو یہ عورت اس کے ساتھ جا کر رہ سکتی ہے نکاح باقی ہے ۞انتهى، والله أعلم بالصواب

অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ