আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ
বরাবর
ফাতওয়া বিভাগ
আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।
বিষয়: যিহার সম্পর্কে
প্রশ্নের বিবরণ:
আসসালামুয়ালাইকুম, বার বার একি প্রশ্ন জমা দেওয়ার জন্য আমি অনেক লজ্জিত, আমাকে মাফ করে দিয়েন,কিন্তু আমি যে প্রশ্ন গুলো জমা দিয়েছি তার ভিতরে লিখতে যেয়ে কিছু না কিছু ভুল লিখেছিলাম, তাই আমি 541নাম্বার প্রশ্নে সব ঠিক করে লিখেছিলাম কিন্তু আপনারা উত্তর সরাসরি না দিয়ে উত্তর এ লিখেছেন এই প্রশ্নের উত্তর পূর্বে দিয়েছি 482 নাম্বার প্রশ্ন দেখতে পারেন, কিন্তু হুজুর 482 নাম্বার প্রশ্ন আর 541 নাম্বার প্রশ্নের লেখা গুলো একটু ভিন্ন ছিলো মানে 482 নাম্বার প্রশ্ন একটু লেখা ভূল ছিল,এই কারণে আমার সন্দেহ যাচ্ছে না কোনো ভাবেই ভয় দূর করতে পারছি না, আমার অনেক কষ্ট হচ্ছে আমি অসুস্থ হয়ে পড়েছি , আমিও বুঝতে পারছি আমার স্বামীর কথায় যিহার হয়নি, কিন্তু বার বার সন্দেহ হচ্ছে যে আগের লেখায় তো কিছু ভুল আছে , হুজুর দয়া করে এই বারের মতো আমার প্রশ্নর উত্তর টা দেয়ে দেন ,আমি আর এই প্রশ্ন আর পরবর্তী তে জমা দিবো না ইনশাআল্লাহ, হুজুর যেনো লিখেন না যে এই প্রশ্নের উত্তর পূর্বে দিয়েছি, হুজুর দয়া করে এই প্রশ্নের উত্তর এখানেই সরাসরি উওর দিয়েন যিহার হয়েছে কি হয়নি, হুজুর আমি নিচে এবার আমি সব ঠিক করেই লিখছি দয়া করে হুজুর প্রশ্নটা সম্পূর্ণ পড়ে উত্তর টা দিয়েন, আমি কথা দিচ্ছি এই প্রশ্ন আমি আর পরবর্তী তে জমা দিবো না ইনশাআল্লাহ , একদিন আমি অনেক কান্নাকাটি করি স্বামী তখন বলে তুমিও আজুরি কান্নাকাটি করো আমার মাও আজুরি কান্নাকাটি করে দুই জোনার মিল আছে, আমি ওয়াসওয়াসার রুগী, আমি কিছুক্ষণ পর স্বামীকে জিজ্ঞেস করি তোমার মাও আজুরি কান্নাকাটি করে আমি ও আজুরি কান্নাকাটি করি এই জন্য বলেছো যে দুই জোনার মিল আছে , স্বামী বলে হ্যাঁ দুই জোনায় তো আজুরি কান্নাকাটি করো, কিছুক্ষণ পর আবার আমি এই একি প্রশ্ন করি তখন স্বামী রাগ করে বলে (ঐ জন্য বলিনি তো গুদির জন্য মিল আছে) (ঐ জন্য মিল আছে নাতো গুদির জন্য মিল আছে)(ঐ জন্য বলিনি তো গুদির জন্য বলেছি) (ঐ জন্য বলিনি তো গুদির মিল আছে)এই চারটি কথার মধ্যে যেকোনো একটি কথা বলে, কোন কথাটা বলেছে ঠিক মনে নেই, কিন্তু ঐ চারটি কথার মধ্যে যেকোনো একটি কথা বলেছে,স্বামী আল্লাহ কছম কেটে বলেছে যে সে এই কথার দ্বারা গালি দিয়েছি, তার মার সাথে কোনো তুলনা করে নি, কোনো মিল বোঝায় নি ,তার মনে কোনো নিয়ত ছিল না, শুধু মাত্র রাগের বসে ঐ ভাবে গালি দিয়ে ফেলেছে, স্বামী বলে তুমি আমাকে বিশ্বাস করতে পারো আমি গালি হিসেবে ঐ কথা বলেছি। স্বামী আরো বলে মা হলেন একজন সম্মানিত ব্যক্তি,মার সাথে কেউ স্ত্রী তুলনা করে,আমি ঐ ভাবে কিছু বলি নি, তুমি ভয় পেয়ো না, যিহার হয় নি, কোনো কাফফারা দেওয়া লাগবে না, আমার মনে ভয় যায় না, এভাবে দুই মাস যাওয়ার পর আমি আবার স্বামী কে বলে তুমি রোজা রেখে কাফফারা আদায় করে দেও আমার ভয় যাচ্ছে না, তখন স্বামী বোঝানোর জন্য আবার বলে তুমি আমাকে বার বার জিজ্ঞেস করছিলে যে মার সাথে কিসের মিল আছে আমি বলেছি গুদির মিল আছে, এই কথা বলেছি তাই কি হয়ছে কি,এখন স্বামী আবার যে কথা টা বললো এটা নাকি সেদিন যে গালি দিছে ঐ গালির কথা বোঝায়ছে , তার মার সাথে কোনো তুলনা করে নি, কোনো মিল ও বোঝায় নি, শুধু মাত্র সেদিন যে গালি দিছে ঐ গালির কথায় বোঝায়ছে, এখন স্বামীর এই দুই দিনের কথা দ্বারা কি যিহার হতে পারে? কোনো কাফফারা কি ওয়াজিব হয়েছে? আর এই কথা গুলো আমার স্বামী যদি অন্য কারো সাথে আলোচনা করে তাহলে কি কোনো সমস্যা হবে,মানে যিহার বা কোনো কাফফারা ওয়াজিব হতে পারে?
সমাধান:
بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما
অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ