মূল অংশে যান

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ

ফাতওয়া নং: ৬০৬ তারিখ: ১৩/০৯/২০২৬ ঈ.

বরাবর

ফাতওয়া বিভাগ

আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।

বিষয়: তালাকের কিনায়া শব্দের ক্ষেত্রে

প্রশ্নের বিবরণ:

বিষয়: দাম্পত্য কলহ ও তালাক সংক্রান্ত জটিলতা বিষয়ে পরামর্শ আসসালামু আলাইকুম, বিনীত নিবেদন এই এই যে, প্রিয় মুহতারাম আমার জীবনে ঘটে যাওয়া কিছু কথা। (১ম ঘটনা) আমি বিবাহ করি ২০১৯ সালে। আমাদের বিবাহ হয় রিলেশন করে। তবে আমার পরিবার ও মেয়ের পরিবার তখন সব মেনে নিয়েছিল অর্থাৎ তাদের অনুমতিক্রমেই বিবাহ হয়েছিল। বিয়েতে সাক্ষীও উপস্থিত ছিল। আমরা দুইজনেই সাধারণত ভাবেই লেখাপড়া করেছি।তালাকের বিষয়ে আগে আমার তেমন কোন আগে ধারনা ছিলনা,তালাকের যে কিনায়া শব্দ আছে আমি আগে তা জানতাম না।বিবাহের পর থেকেই আমাদের মাঝে ঝগড়া লাগলে আমি রাগের মাথায় বিভিন্ন শব্দ ব্যবহার করি।যেমন-তরে তালাক দেম,তরে ছাইড়া দেম, তোর সাথে সংসার করব না,তরে আমার ভালো লাগে না, তুই চলে যা, ভালো না লাগলে তুই চলে যেতে পারস,তুই চলে গেলে আমার কোন সমস্যা নাই,তুই চলে গেলে আমি আরেকটা বিয়া করব।তুই চলে গেলে আমার কোন সমস্যা নাই।গেলে এক্ষুনি চলে যা, তোর কাউর সাথে সম্পর্ক থাকলে তুই চলে যা, আমার কোন সমস্যা নাই, গেলে আগেই চলে যা, তোর কাউর সাথে সম্পর্ক থাকলে বল আমি নিজে তরে বিয়া দিয়া দেম, গেলে কয় আমি গাড়ি ভাড়া দিয়া দেই।আরো হয় তো অনেক শব্দ ব্যবহার করছি, যা এখন সঠিকভাবে মনে নেই। তো এইগুলো বলার সময় তালাকের নিয়ত থাকলে যে তালাক হয় আমি তা আগে জানতাম না। তো এইগুলো বলার সময় আমার কি নিয়ত ছিল কিনা সঠিকভাবে মনে করতে পারছি না,একবার মনে হয় নিয়ত ছিল আবার মনে হয় নিয়ত ছিল না। মানে, একটা ওয়াসওয়াসার মধ্যে আছি। তো এই ক্ষেত্রে কি তালাক পতিত হবে? উপরের বাক্য গুলো আমাদের মাঝে ঝগড়া ঝামেলা হলেই প্রায় সময় আমি এই কথা গুলো বলতাম।হয় এই রকম আরে অনেক কিনায়া শব্দ ব্যবহার করছি বা গালাগালি করছি ঝগড়ার সময়।আর এই সব কিছুই বলছি আমি না জেনে যে এই গুলো তালাকের কিনায়া শব্দ। (২য় ঘটনা) ২০২৪ সালের রমজান মাসে আমার স্ত্রীর সাথে আমার বিবাদ সৃষ্টি হয়।সেই সময় আমাদের মাঝে অনেক কথা বাতা হয়,তরে তালাক দেম,তরে ছাইড়া দেম,তুই আর একটা কথা বললে এক্ষনি তরে তালাক দেম,তোর সাথে আমি আর সংসার করব না, তোকে আমার ভালো লাগে না।তুই চলে যায়,তরে তালাক দেম,তোর সাথে আমার কোন সম্পর্ক নাই,তুই আমারে ফোন দিবি না,তুই এক্ষুনি আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবি। উত্তরে সে-ও বলে যে সে আমার সাথে সংসার করবে না। তখন আমি বলি, "আমার সংসার না করলে তুই এখনই আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যা। তোর আমার বাড়িতে থাকার কোনো প্রয়োজন নেই; আমার সংসার না করলে এই বাড়িতে থাকার কোনো অধিকার তোর নেই, তুই এক্ষনি আমার বাড়ি থেকে বের হয়ে যাবি আমার মাকেও বলি তাকে ঘর থেকে বের করে দিতে এবং জানাই যে আমি তাকে ছেড়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করছি। তার সাথে আর সংসার করব না। তখন আমার স্ত্রী আমাকে বলে,আমি তোর ভাত খাব না, তুই আমাকে কীভাবে দিবি দিয়ে দে। আমি বলি, "তুই চলে যা, গেলে তোকে ডিভোর্স দিয়ে দেম। সে বলে, "আমাকে কাগজ দিয়ে দে, আমি চলে যাব।আমি উত্তরে বলি, "তুই গিয়ে আমাকে কাগজ পাঠিয়ে দিস, আমি স্বাক্ষর করে দেব।তুই এখনি চলে যা গেলে আমি কাগজ পাঠাইয়া দেম,এরপর সে আমাকে তাকে ছেড়ে দেওয়ার কথা বললে আমি বলি,ঠিক আছে, তোকে ছেড়ে দিলাম/দিয়া দিলাম।এই ধরনের শব্দ আমি মনে হয় ব্যবহার করি, তবে পুরা স্পষ্টভাবে মনে নেই।যে এই কথা বলছি, আর বললেই যে কত বার ছেড়ে দিলাম বা দিয়া দিলাম এই কথা কত বার বলছি এখন আমার সঠিক মনে নেই, আর অনেক আগে ঘটনা হওয়ার কারনে সঠিক ভাবে মনে করতে পারছি না।আর এই কথা বললেই যে তালাক হয়ে যায় বা নিয়ত থাকা লাগে আমার আগে জানা ছিল না,না জেনেই আমি রাগের মাথায় এই সব কথা বাতা বলতাম।আর নিয়ত কি ছিল এখন আমার মনে নেই।রাগের মাথায় মুখে যা আসছে তাই বলে দিছি।ওই সময় তেমন মাথায় ছিল না যে আসলে কি নিয়তে কথা গুলো বলছি। তবে প্রায় সময় ঝগড়া ঝামেলা হলেই আমার স্ত্রী বলত তুই আমারে নিয়া না খাইলে আমারে দিয়া দে এত কাহিনী করার দরকার নাই,তো আমি বলি ঠিক আছে তুই চলে যা,তরে নিয়া আমি খাব না, এই শব্দ ব্যবহার করি,অন্য সময় বলি তুই কি আমার ভাত খাইতি না সে বলে না আমি তোর সংসার করব না, তো আমি বলি তুই চলে যা সংসার না করলে এই রকম প্রায় সময় বলি। কত বার বলছি আমার সঠিক সংখ্যা মনে নেই। সেই সময় আমার জানা ছিল না যে, এসব কথা বললে তালাক হয়ে যায় অথবা তালাকের নিয়ত থাকলে তালাক পতিত হয়। আমি না জেনেই কথাগুলো বলেছিলাম। এমতাবস্থায় কি তালাক কার্যকর হবে? তার পর অনেক সময় ঝগড়া ঝামেলা হলেই রাগের মাথায় অনেক কথা বলি,তুই কি আমার সংসার করবি না, সে বলে না আমি তোর ভাত খাব না, তো আমি আমার সংসার না করলে তুই চলে যা, গেলে আমার কোন সমস্যা নাই, তোর কাউর সাথে সম্পর্ক থাকলে তুই চলে যেতে পারস তাতে আমার সমস্যা নাই, তুই যাইয়া তারে বিয়া কইরা লায়, তোর সাথে আমি সংসার করব না,তরে আমি ছাইড়া দেম, তরে তালাক দেম,তোর সাথে আমি থাকব না, তুই চলে যা,তুই আমারে আর ফোন দিবি না,আরো অনেক ধরনের কথা বলি যা এখন আমার মনে নেই। এগুলো বলার সময় আমার নিয়ত ছিল কিনা স্পষ্টভাবে মনে নেই। একটা দ্বিধা-সন্দেহের মধ্যে আছি। আমি আগে যে কথা গুলো বলছি এই সব কথা বললে যে তালাক পতিত হয় আমি আগে জানতাম না, খালি আমি জানতাম যে, তালাক দিলাম, এক, দুই, তিন এই কথা বললে তালাক হয়, কিন্তু মুখে এই গুলো কোন সময় আমি বলি নাই।তো আমি জানতাম যে আমাদের মাঝে কোন তালাক হয় নাই,এই জন্য এক সাথে সংসার করতাছি।কোন কিছু না জেনেই। সব সময় আমার স্ত্রী বলত,তুই আমারে নিয়া না খাইলে আমারে দিয়া লায় তো আমি বলতাম ঠিক আছে তুই চলে যা, আবার তুই কি আমার ভাত খাইতি না সে বলত না আমি তোর সংসার করব না তো আমি বলতাম তুই না খাইলে চলে যা এই কথা গুলো বলার কারনে কি তালাকের নিয়ত ছাড়াই কি তালাক পতিত হবে। আমি যে প্রায় সময় বলছি সেই ক্ষেত্রে এই কথা গুলো বলার কারনে কত তালাক পতিত হবে। নিচের সব গুলোই বাক্য ২০২৫ সালের আগস্ট মাসের পরে বলা (৩য় ঘটনা)২০২৫ সালের আগস্ট মাসে, তখন আমি প্রবাসে থাকি,হঠাৎ করে রাতে একদিন বিভিন্ন তালাকের মাসালা জানার পর এই বিষয় নিয়ে খুবই টেনশনে পড়ে যাই,যে অতীতে আমার এই কথা বলার কারনে কোন তালাক পতিত হইছে কিনা বা কত তালাক হইছে, এই বিষয় নিয়ে খুবই অশান্তি মধ্যে ছিলাম। তো এই বিষয়ে আমার এক পরিচিত ভাইকে জিজ্ঞাসা করি। তাকে আমার বিষয়টা খুলে বলি।আসলে ওই সময় সঠিক ভাবে কোন কিছুই মনে না থাকার কারনে তাকে পুরো বিষয়টা খুলে বলতে পারি নাই।তো তার থেকে সমাধান পাওয়ার জন্য দীর্ঘ অনেক দিন অপেক্ষা করার পর তার থেকে কোনো সাড়া পাই না এবং সমাধানও আর জানা হয় না। তার পর বিভিন্ন জায়গায় সমাধান জানার জন্য অনেক মানুষকে জিজ্ঞেস করি কিন্তু ভালো কোন সমাধান পাই না, কেউ বলে হইছে কেউ বলে হয় নাই।তার পর এই বিষয় নিয়ে অনেক মানুষিক ভাবে অশান্তির মধ্যে থাকি।তালাক কি হইছে নাকি হয় নাই সঠিক ভাবে কেউ বলতে পারে নাই। এরপর আমি ‘মাহা’দুল ফিকহিল ইসলামী উত্তরা ঢাকা’ নামের একটা অনলাইন ফতোয়া বোর্ড থেকে আমার বিষয়টা জানার চেষ্টা করি। ওই সময় যত টুকু মনে ছিল সব কিছু তাদেরকে খুলে বলি,তারা সমাধান হিসেবে বলে- “তোকে ছেড়ে দিলাম” বলার দ্বারা নাকি তালাক হয়েছে।যেহেতু আমি আগে জানতাম না যে আমাদের মাঝে তালাক হইছে নাকি হয় নাই,তাই আমি রুজ করি নাই,আর ওই সময় আমি প্রবাসে ছিলাম, তার ১ বছর পর আমি দেশে গেছি(যেহেতু আমাদের মাঝে কোন শারীরিক ভাবে মিলামেশা হয় নাই,খালি মোবাইলে ভিডিও কলে খেলামেলা ভাবে সব কিছুই দেখছি সব সময়)তাই এইটা নাকি রুজ হয় নাই,এখন আপনাদের একসাথে থাকতে হলে পূনরায় নতুনকরে বিবাহ করতে হবে। তো বিষয়টা আমার স্ত্রীকে জানাই যে, আমি এক হুজুরকে আমাদের বিষয়টা জিজ্ঞেস করছি, তো হুজুর বলছে আমাদের মাঝে নাকি এক তালাকের বায়েন হয়ে গেছে আবার নতুন করে বিবাহ করতে হবে। সে এইটা মানতে চায় না তার পর আমি তাকে গালি দিয়ে বিষয়টা আবার বলি, তুই কি দেখেস না এই খানে লেখা আছে আমাদের মাঝে এক তালাক হয়ে গেছে আর আমাদের মধ্যে কোন সম্পর্ক নাই, এখন এক সাথে থাকার জন্য নতুন করে বিবাহ করে থাকতে হবে। ইসলামিকভাবে আমাদের মাঝে কোন সম্পর্ক নাই, এখন এক সাথে থাকতে হলে নতুন করে বিবাহ করে থাকতে হবে। যদি এত নাটক করস তাইলে আর বিবাহ করার দরকার নাই, যদি ভালো হয়ে থাকতে পারস তাইলে থাক, নাইলে তুই চলে যা।আমার কোন সমস্যা নাই।আমি তোর পাওনা সব বুঝাইয়া দেম। আমি সবসময় আমার স্ত্রীকে বলতাম যে আমাদের মাঝে মনে হয় একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, আমরা আর এক সাথে থাকতে পারব না, আমাদের আলাদা হয়ে যাওয়াই মনে হয় ভালো হবে, যদি এক সাথে থাকি তাইলে গুন্নাহগার হব। তার থেকে ভালো আমরা আলাদা হয়ে যাই,খালি আমার মাথায় এই সব চিন্তা ভাবনা কাজ করত,আমার খালি মনে হত যে আমাদের মাঝে তিন তালাক হয়ে গেছে আমরা আর এক সাথে থাকতে পারব না, আমি খালি সব সময় এই বিষয় নিয়ে অনেক মানুষিক ভাবে টেনশন করতাম, আর খালি চিন্তা করতাম যদি তিন তালাক হয়ে থাকে, আর যদি এক সাথে থাকি তাইলে এইটার জন্য সারাজীবন জ্বিনার গুন্নাহ হবে। আমার খালি মনের ভিতর সব সময় এই ভয় কাজ করত।আর এই সব বিষয় নিয়ে খালি মানুষিক ভাবে অনেক অশান্তি মধ্যে থাকতাম। তার পর আমি বিভিন্ন জায়গায় থেকে বিভিন্ন মাসালা আনছি কেউ বলে হইছে কেউ বলে হয় নাই, আবার কেউ বলে যে হালালা করলে এইটার থেকে একেবারে মুক্তি পাব।আবার কেউ বলে একটা হইছে নতুন করে বিবাহ করলে আর কোন সমস্যা হবে না। কিন্তু আমার মন কোন কিছুই মানতে রাজি না, আমার খালি সব সময় মনে হত যে না আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে। আর এক সাথে থাকতে পারব না।আমি খালি বলতাম আমার স্ত্রীকে যে আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, আমাদের আলাদা হয়ে যেতে হবে, তুমি আমাকে ছেড়ে চলে যাও, তোমার সাথে থাকা এখন আমার পক্ষে সম্ভব না, কিন্তু আমার স্ত্রী তা মানতে নারাজ, সে বলে না এমন কিছুই হয় নাই।কোনটা সঠিক কোনটা ভুল কোন কিছুই আমি বুঝতে পারছিলাম না।খালি এই সব বিষয় নিয়ে সব সময় চিন্তা পেরেশানি করতাম। অন্য একদিন বলি, আমার মনে হয় আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে খালি এই সব চিন্তা মাথায় কাজ করে, আমার মনে হয় এইটা থেকে একেবারে মুক্তির একটা রাস্তা আসে, তুমি শরিয়াভাবে হালালা করে নাও তাইলে হয় তো এই সব টেনশন থেকে মুক্তি পাব। তো আমার স্ত্রী এই বিষয় রাজি হয় না, সে বলে মরে গেলেও এই সব কাজ করবে না। আমি হালালার সম্পর্কে আরো অনেক আলেমের সাথে কথা বলি যে কি ভাবে শরিয়া মুতাবেক হালালা করা হয়, আমি আমার স্ত্রীকে হালালা করাতে চাই এই বিষয় কথাবার্তা বলি। অন্য একদিন রাগের মাথায় বলি তরে দেখবি আরেক জায়গায় বিয়া দিয়া আনাম, তুই দেখবি, তুই এমন কোন কিছু করিস না যে তরে এখন মুখে বলে দেই, বেশি কিছু করলে এখনোই বলে দেম, তুই কইতে বাধ্য করিস না, তুই কি দেখেস না যে আমাদের মাঝে এখন আর সম্পর্ক নাই, এখন নতুন করে বিবাহ করতে হবে। তোর যদি ভালো না লাগে তুই চলে যা, তরে হিসাব করে দিয়া দেই। আমি খালি সব সময় এই তালাকের ব্যাপারে চিন্তা করতাম, যে আমাদের মাঝে কত তালাক হইছে, খালি মনে হত আমরা মনে হয় আর এক সাথে থাকতে পারব না, আমাদের একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, এখন এক সাথে থাকলে গুন্নাহগার হব, আমাদের আলাদা হয়ে যেতে হবে।এই সব চিন্তা খালি মাথায় আসত।এই বিষয়টা নিয়ে আমি সব সময় অশান্তি মধ্যে থাকতাম,তখন মনে হত এই সম্পর্ক একেবারে শেষ করে দিলেই মনে হয় এই অশান্তি থেকে মুক্তি পাব,তাইলে আর কোন সন্দেহ কাজ করবে না। যদি আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে যায় তাইলে গুন্নাহ থেকে বাচতে পারব।এই সব বিষয় নিয়ে আমার স্ত্রীর সাথে খালি ঝামেলা করতাম, যে আমাদের মাঝে এখন আর কোন সম্পর্ক নাই, আমাদের আলাদা হয়ে যেতে হবে, এক সাথে থাকলে গুন্নাহগার হব। আমি এই পাপ করতে চাই না, তোমার সাথে আমার আর কোন সম্পর্ক নাই, তরে কি ভাবে কি দিতে হবে বল আমি দিয়া দেই, তুই কেরে বুঝেস না যে আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে এখন এক সাথে থাকা সম্ভব না। খালি এই সব কথাবাতা বলতাম প্রায় সময়। (৪র্থ ঘটনা এই গুলো বলার সময় তালাকের নিয়ত ছিল) ২০২৬ সালের রোজার ঈদের পর আমার স্ত্রী সাথে ঝামেলা হয়। তো এই বিষয়ে তার দুলা ভাইয়ের সাথে কথা বলি। সে বলে, এখন কি করতে চাও? আমি বলি, না ভাই আমি তার সাথে সংসার করব না, তার সাথে থাকা সম্ভব না, আমি তাকে ছেড়ে দিতে চাই, এইটা শেষ করে ফেলব, তার সাথে আমার থাকা সম্ভব না, এত নাটক করে সংসার করার দরকার নাই, তার থেকে ভালো এইটা শেষ করে দেওয়াই ভালো, আপনারা যেই ভাবে পারেন এইটা শেষ করে দেন, নাইলে আমারটা আমি শেষ করব। আমি যদি তারে নিয়া না খাই তাইলে কেউ জোর করে খাওয়াতে পারবে না। যদি আপনারা ভালোই ভালো শেষ করে দেন তাইলে ভালো, নাইলে আমারটা আমি শেষ করব, আর আমি লইয়া না খাইলে কেউ কিছু করতে পারব না, আমি যদি দিয়া লাই তাইলে আপনারা আমার কিছু করতে পারবেন না এইটা ভালো করে জানেন। আপনার কি করবেন আমাকে জানায়েন, নাইলে আমারটা আমি শেষ করব। আর এমনেও তার সাথে আগে একটা ঝামেলা হইছে। পরে হুজুর বলছে যে, এখন নতুন করে বিবাহ করার জন্য। তো নতুন করে তো আর বিবাহ করি নাই, ওই হিসাবে তার সাথে এখন ইসলামিকভাবে আমার আর কোন সম্পর্ক নাই, তো শেষ করে ফেললে ভালো হবে। এখন দেখেন আপনারা কিভাবে কি করবেন আমারে জানায়েন। তো পরে আমার স্ত্রীর সাথে কথা বলি, তাকেও আমি বলি যে আমি তোমারে নিয়া আর খাব না, এইটা শেষ করে ফেলব, তোমার সাথে থাকা সম্ভব না, কেমনে শেষ করবা এটা শেষ করে ফেলো আর নাইলে আমি শেষ করে দিব। তোর সাথে থাকা আমার সম্ভব না, এইটা আজকে শেষ করে দেম। তো এক সময় আমার স্ত্রী রাগের মাথায় বলে তুই আমারে ছাড়ার দরকার নাই আমিই তরে ছাইড়া দেম, তরে আমি কাগজ পাঠাইয়া দেম, তোর সাথে আমিই থাকব না, তো আমি বলি কাগজ পাঠানোর কোন দরকার নাই, এমনে তো আমাদের মাঝে এখন ইসলামিকভাবে কোন সম্পর্ক নাই। আমি এইটা এইভাবে ঝুলাই রাখতে চাই না, তরে আমি তালাকের অনুমতি দিলাম তুই তোর নিজের উপর তালাক গ্রহণ কর, পরে সে এই কাজ করে না। তো বলি তুই যদি বেশি কিছু করস তাইলে তরে এক্ষনি লিখে পাঠাইয়া দেম, তুই আমারে তালাকের কথা বলতে বাধ্য করিস না, নাইলে আমি এক্ষনি কইয়া দেম বা লিখে পাঠাইয়া দেম এই গুলো বলি। উপরের সব কিছু একজনের মুফতি কাছে জিজ্ঞেস করছি, সে বলে আমাদের মাঝে নাকি তিন তালাক হয়ে গেছে, তার পর এই বিষয়ে কথা বলি, যে তিন তালাক হলে কি করতে হবে, বা কোন কথা তালাক হইছে, এখন আমরা কি ভাবে এক সাথে থাকব। আর আমি আরেক জনের সাথে এই গুলো শেয়ার করি যে আমাদের মাঝে নাকি তিন তালাক হয়ে গেছে, এখন আর এক সাথে থাকতে পারব না, কি করব কিছু বুঝতে পারছি না, আবার বলি, আমি যাচ্ছি আমার স্ত্রীকে শরিয়া মুতাবেক হালালা করতে, কি ভাবে কি করব যদি পরামর্শ দিতেন, এই সব বিষয় নিয়ে কথাবার্তা বলি, এখন আগে যদি কোন তালাক না হয়ে থাকে, আর এই সব আলোচনা করার কারনে কি কোন সমস্যা হবে, বা নতুন করে তালাক পতিত হবে। (৫ম ঘটনা) আমি এই সব কিছু নিয়ে খালি চিন্তা ভাবনা করতাম খালি তালাকের ব্যাপারে সন্দেহ ও ওয়াসা কাজ করে।এই সসমস্যা শুরু হয় যখন থেকেই তালাকের ব্যাপারে জানতে পারি।তার পর থেকেই আমি সারাক্ষণ খালি চিন্তা ও ভাবনার মধ্যে থাকতাম, আমার খালি মনে হত আমি যে ঝগড়া সময় আমার স্ত্রীকে বিভিন্ন ধরনের শব্দ ব্যবহার করেছি এইটা কারনে হত এখন আমাদের সম্পর্ক একেবারে শেষ হয়ে গেছে, আমরা আর এক সাথে থাকতে পারব না, আমাদের আলাদা হয়ে যেতে হবে, এক সাথে থাকলে তাইলে গুন্নাহগার হব, খালি সারাক্ষণ এই সব নিয়ে চিন্তা পেরেশানি করতাম, সব সময় খালি এই সব কিছু নিয়ে পরে থাকতাম, তো এই গুলো উওর জানার জন্য বিভিন্ন মুফতি সাহেবের কাছে যেতাম কেউ বলত কিছু হয় নাই বা কেউ বলে হয়ে গেছে,একেক সময় একেক উওর পেতে পেতে মনে ভিতর একটা সব সময় ভয় কাজ করত কোনটা সঠিক কোনটা ভুল কোন কিছুই বুঝতে পারতাম না। যেই যা উওর দিত আমার কাছে মনে হত এইটা ভুল, সঠিকটা ভুল মনে হত, আর সারাক্ষণ খালি চিন্তা করতাম আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, এখন আর নতুন করে সংসার করতে পারব না, আমাদের আলাদা হয়ে যাওয়াই মনে হয় ভালো হবে, এক সাথে থাকলে তাইলে গুন্নাহগার হব। সব সময় খালি মনের ভিতর ভয় কাজ করত, আর এই গুলো নিয়ে সব সময় টেনশনে থাকতাম, একেক সময় একেক কথা খালি মনে হত যে এই কথাটা মনে হয় বলছি আবার মনে হত না এইটা বলছি, কিন্তু সঠিকভাবে বুঝতে পারতাম না যে কি বলেছি,এই গুলো নিয়ে অনেক মানুষিক ভাবে অশান্তি কাজ করত,আর এই সমস্যার কারনে স্ত্রীর সাথে কথা বলতাম না, খালি মনে হত যদি আমাদের বিচ্ছেদ হয়ে থাকে তাইলে তো এখন কথা বললে তো জিন্নার গুনাহ হবে এই ভয়ে যোগাযোগ করা বন্ধ করে দেই।আমি আগে সারাক্ষন খালি চিন্তা করতাম যে আমাদের মাঝে কত তালাক হইছে এক নাকি দুই নাকি সম্পর্ক একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, খালি এই সব চিন্তা করতাম,ভাবতাম, কিছুই মাথা কাজ করত না খালি এই তালাকের ব্যাপারে চিন্তা করে সব সময় অশান্তি মধ্যে থাকতাম,মনে মনে সব সময় খালি এই ব্যাপারে চিন্তা করতাম,তো মাঝে মাঝে মনে হত যে নিশ্চিত হওয়ার জন্য একেবারে মুখে বলে দেই, বা লিখে দেই তাইলে একটা নিশ্চিত হতে পারব কত তালাক হইছে বা সম্পর্কে একেবারে শেষ করে দেই তাইলে এইটা অশান্তি থেকে মুক্তি পাব।তো মনে মনে অনেক বার তালাক দিয়েছি বা তালাকের শব্দ ব্যবহার করেছি।এখন হঠাৎ করেই একটা বিষয় খালি অশান্তি লাগতাছে, আমি যে মনে মনে সব সময় এই চিন্তা ভাবনা করেছি তালাকের ব্যাপারে আমার মনে ওইসময় ভুল করে রকম মুখে আওয়াজ না করে ঠোঁট ও জিভ নেড়ে তালাকের শব্দ মনে হয় ব্যবহার করেছি।কিন্তু সঠিক ভাবে মনে করতে পারছি না যে এই রকম ভাবে বলছি কিনা, একবার মনে হয় বলছি আরেকবার মনে হয় বলি নাই তো আমার কথা হল:যদিকোন রকম মুখে আওয়াজ করা ছাড়া মুখ দিয়ে ঠোঁট নেড়ে তালাকের শব্দ ব্যবহার করি এই ক্ষেত্রে কি তালাক পতিত হবে। আর যদি বলেও থাকি আর এখন যদি ভুলে যাই বা সঠিক ভাবে আমার মনে নেই যে, আসলে কি বলেছি নাকি এই খালি আমার ওয়াসওয়াসা বুঝতে পারছি না, যদি ভুলে বলি থাকি এই ক্ষেত্রে কি তালাহ হিসাবে গন্য হবে।এই ক্ষেত্রে শরিয়ার হুকুম কি,আর এখন আমার কি করনীয়। এই গুলো বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ভাবে বলি মোবাইলে কথা বলার সময় ১/ আমার কি সমস্যা হইছে এই গুলো আমার স্ত্রী এক জনের কাছে বননা করার জন্য বলছে, তো আমি তাকে বলি যে আমি এই গুলো বলতে পারব না, কারন বললে যদি আবার এই রকম কোন কিছু হইয়া যায় তার পর সে বলে বলার জন্য তারপর আমি রাগ করে বলি ঠিক আছে আমি কমু যদি এর জন্য কোন কিছু হইয়া যায় তাইলে আমারে কিছু কইতে পারবি না। পরে আর বলি না। ২/ আমার খালি সব সময় মনে হইত যে আমাদের মাঝে কোন সম্পর্ক নাই, সব শেষ হইয়া গেছে এখন আর এক সাথে থাকতে পারব না, কি করব কিছুই বুঝতে পারছি না, আমার যেই সমস্যাটা যেই ভাবে হোক সমাধান করতে হবে,হয় তো এই দিক না হয় ওই দিক একটা তো হবে, যত ক্ষন না এইটা সমাধান হয় তত ক্ষন পযন্ত কোন শান্তি পাব না। আরো নানান ধরনের কথা বাতা বলতাম 3/ অন্য একদিন ঝগড়া লেগে বলেছি রাখ তরে আমি ব্যবস্থা করতাছি খালি তোর টাকা গুলো যোগার করে লই, তার পর তরে যা করার করব, আর কিছু দিন অপেক্ষা কর এর পর বুঝতে পারবি আমি কি করতে পারি,রাখ তরে বিদায় করার ব্যবস্থা করতাছি আর কিছুদিন খালি অপেক্ষা কর ৪/ শেষ এইটা আর হইব নাকি, এই বার দেশে যাইয়া এইটা একেবারে শেষ কইরা দেম, খালি খালি এই আশা কইরা আর লাভ হইব না। খালি এই বার দেশে যাইয়া লই। দেশে যাইতাছি খালি এইটা শেষ করার জন্য, তোর জন্য আজকে এই অবস্থা, তুই কি মনে করেছ আমি এত টাকা খরচ যাচ্ছি তোর চেহারা দেখার জন্য নাকি এইবার এইটা শেষ করে দেম,এমনে আর হয় তো না. আমি দেশে যাইয়া লই তার পর তরে রেজাল্ট জানাইয়া দেম তার তুই ভালো হইয়া আরেকটা বিয়া কইরা জামাই লই শুইয়া থাকিস 5/ তরে কইছি আমার সমস্যা আছে তার পর তুই এমন করেস, তরে দেখবি এখন কি করমু,তুই কইলাম আমার মাথায় খারাপ কইরা লাইতাছেত,তুই কেমন জানেস নি, রাখ এইটার সমস্যাটা সমাধান হোক তার পরে তরে যা করার করাম। ৬/ এমনে মাঝে মাঝে কোন বিষয় নিয়ে ঝামেলা হলেই মাথা ঠিক থাকে না তখন বাজে ভাবে গালা গালি করি। আবার বলি তুই রাখ আর দুই দিন আছে এর পরে তরে যা বলা বলে দিব, তুই পর জানতে পারবি কি হইছে না হইছে, তোর ভালো চাইলে এত দিন ভালো ছিলি এর কিছু দিনের জন্য এমন কোন কিছু বলিস না যেই তোর জন্য খারাপ হয়৷ রাখ যাইয়া লই তার পর তরে যা বলার বলে দেম, খালি দেশে যাইয়া লই তরে যা বলার বলে দেম। (বি:দ্র আমি শুধু জানতাম যে তালাক দিলাম, তালাক, ১,২,৩, এই গুলো বললে তালাক হয়, কিন্তু কোন দিনও এই গুলো মুখে উচ্চারণ করি নাই) এখন আমার জানার বিষয় হলো- ১/ আমার স্ত্রীর ওপর মোট কত তালাক পতিত হয়েছে?আর এখন আমাদের একসাথে থাকতে হলে কি করতে হবে?শরিয়া মুতাবেক এখন আমরা কি আর সংসার করতে পারব। ২/ ছেড়ে দিলাম বলার কারনে যদি এক তালাক হয়ে থাকে আর আমার কোন কথার কারনে যদি এইটা রুজ হয়ে যায় তাইলে বাকি কথা বলার কারনে কত তালাক পতিত হইছে। আর এই কথা যে বলেছি এই বিষয়ে যেহেতু আমার সন্দেহ আছে যে আসলেই কি বলেছি কিনা আর বললেই বা কত বার বলেছি এইটা মনে করতে পারছি, এই ক্ষেত্রে কত তালাক পতিত হবে। ৩/ঠোঁট ও মুখ নেড়ে যে তালাকের বাক্য বলেছি, কোন রকম মুখে আওয়াজ করা ছাড়া সেই ক্ষেত্রে কি তালাক পতিত হবে, আর এই বিষয়টা নিয়ে যেহেতু সন্দেহ আছে সে ক্ষেত্রে শরিহা হুকুম কি। ৪/ তালাকের একাধিক কিনায়া শব্দ একসঙ্গে বা একবারে বললে কি প্রত্যেকটি দ্বারা আলাদা আলাদা তালাক হয়, নাকি প্রথমটি দ্বারা এক তালাকে বায়েন হয় আর বাকীগুলো দ্বারা কোনো তালাক হয় না?আর আমি অনেক ফতুয়া দেখেছি কিছু কিনায়া শব্দ আছে এমন যার নিয়ত ছাড়াই তালাক হয়ে যায় ঝগড়া বা তালাকের কথা বাতা চলা কালিন বললে সেই হিসাবে আমার এমন কোন বাক্য উপরে যদি থাকে সেই ক্ষেত্রে কি এইটা নিয়ত ছাড়াই তালাক হবে আর হলেই বা কোন তালাক হবে বায়েন নাকি রজয়ী। আর আমি দেখেছি এমন কিছু কিনায়া শব্দ আছে যার দ্বারা রজয়ী তালাক পতিত হয়,আমার উপরের বননা এমন কোন বাক্য আছে কিনা দয়া করে জানাবেন। ৫/ যদি এই গুলোর বাইরে তালাকের অন্য শব্দ ব্যবহার করে থাকি, এখন যেহেতু মনে নেই সঠিক ভাবে মনে করতে পারছি, ভুলে গেছি সেই ক্ষেত্রে শরিহা হুকুম কি। ৬/যদি কোন সময় তালাকের শব্দ ব্যবহার করে থাকি, আর এখন যেহেতু মনে করতে পারছি না বলছি কি বলি নাই, খালি সন্দেহ কাজ করে সেই ক্ষেত্রে শরিহা হুকুম কি হবে, আর এর জন্য কি কোন গুনাহ হবে। ৭/ আমি যে প্রায় সময় আমার স্ত্রীর সাথে বলছি যে আমাদের মাঝে একেবারে বিচ্ছেদ হয়ে গেছে বা তিন তালাক হয়ে গেছে, আসলে যদি তিন তালাক না হয় তাইলে কি এই কথা বলার কারনে কোন তিন তালাক হয়ে যাবে। দয়া করে কুরআন ও হাদিস অনুযায়ী উপরোক্ত বিষয়গুলোর সমাধান জানালে অনেক উপকার হবে। আশা করি সঠিকভাবে পুরো বিষয়টা ভালো ভাবে দেখেই উওর দিবেন।যাতে এর উপর আমল করলে আমি ও আপনি আল্লাহ দরবারে কোন গুন্নাহগার না হই। আর দয়া করে পুরো বিষয়টা খুলে বললে আমার জন্য সুবিধা হবে তাইলে আমার মনে যেই ওয়াসা কাজ করছে আশা করি এইটা দূর হয়ে যাবে। দয়া করে পুরোটা বিষয় খুলে বললে আমার জন্য ভালো হয়, আর কোন কিছু জানার থাকলে আমার নাম্বারে whattsapp কল দিতে পারেন বা নাম্বারে, একটু তাড়াতাড়ি উওর দিলে ভালো হয়, আমি প্রবাসে থাকি, খুব অল্প দিনের ছুটি নিয়ে দেশে আসছি এই সমস্যাটা সমাধান করার জন্য। নিবেদক নাম মজিউল হোসেন স্ত্রীর নাম বন্যা আক্তার ঠিকানা : কুমিল্লা 01858679121

সমাধান:

بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما

প্রশ্নোক্ত বিবরণ ও মৌখিক বর্ণনা অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর ওপর প্রথমে এক তালাকে বায়েন পতিত হয়েছে। এরপর ইদ্দতের মধ্যে নতুন করে বিবাহ না করার কারণে পরবর্তী কোন বাক্য দ্বারা আপনার স্ত্রীর ওপর কোনো তালাক কার্যকর হয়নি। কেননা ইদ্দত শেষ হয়ে যাওয়ার কারণে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনার স্ত্রী এখন আর স্ত্রী হিসেবে বহাল নেই। এখন আপনারা যদি আবার ঘর সংসার করতে চান তাহলে নতুন করে মোহর ধার্য করে দুইজন সাক্ষীর উপস্থিতিতে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে হবে।
 في رد المحتار (٤/٥٢٨) (قوله وهي حالة المذاكرة الطلاق) اشار به الى ما في النهر من ان دلالة الحال تعم دلالة المقال،قال: وعلى هذا فتفسر المذاكرة بسؤال الطلاق او تقديم الايقاع كما في اعتدى ثلاثا، وقال قبله: المذاكره ان تساله هي او اجنبي الطلاق۞  وفي الفتاوى الهندية(١/٤٤٢) وحاله مذاكرة الطلاق: بان تسال هي طلاقها او غيرها تسال طلاقها ۞  وفي الهداية(٢/٣٥٣) الكناية لا يقع بها الطلاق الا بالنيت او بدلالة الحال لانها غير موضوعة للطلاق بل تحتمله وغيره فلا يد من التعيين او دلالتة..... وهي على ضربين وبقية الكنايات اذا نوى بها الطلاق كانت واحدة بائنة وان نوى ثلاثا كان ثلاثا... الا ان يكون في حالة مذاكرة الطلاق فيقع بها الطلاق في القضاء ولا يقع فيما بينه وبين الله تعالى الا ان ينويه۞  وفی فتاوی دارالعلوم زکریا(٤/١٣٩) فقہاء کی اصطلاح میں مذاکرہ طلاق کا مطلب یہ ہے کہ بیوی یا بیوی کی طرف سے کوئی اجنبی طلاق کا مطالبہ کرے یا پہلے سے کوئی طلاق دی ہو اور پھر الفاظ کنایہ میں سے کوئی لفظ کہدے تو بلانیت طلاق واقع ہو جاتی ہے ۞  و فیہ ایضا (٤/١٤٠) اور کنایہ سے طلاق اس وقت واقع ہوتی ہے جب نیت کرے یا مذاکرہ طلاق میں کہے،اگر مذکرہ طلاق میں کہے تو قضاء بغیر نیت کے طلاق واقع ہو جاتی ہے،ہاں دیانہ تن فیما بینہ و بین اللہ طلاق واقع نہ ہوگی ۞انتهى والله اعلم بالصواب

অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ