আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ
ফাতওয়া নং: ৬৩৭
তারিখ: ২১/০৯/২০২৬ ঈ.
বরাবর
ফাতওয়া বিভাগ
আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ, পোরশা ইসলামপুর, পোরশা, নওগাঁ, বাংলাদেশ।
বিষয়: পরিস্থিতির শিকার হয়ে কি একসাথে তিন তালাক দিলে তালাক হয়ে যাবে
প্রশ্নের বিবরণ:
আমি মন থেকে কখনো তালাক দিতে চাইনি এমন কি শেষ পর্যন্ত আমি রাজি ছিলাম না কিন্তু আমার বউ রাগের মাথায় প্রায় চার মাস ধরে বলতেছে আমার সাথে সংসার করবে না তারপর আমার বাবা মা এলাকার মেম্বারের চাপে পড়ৈ এক পর্যায়ে তালাক দিতে বাধ্য হয়েছি পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিতে । তারপর এক মজলিসে তিন তালাক দিয়েছি এখন আমার স্ত্রী বলতেছে আমার সাথে সংসার করবে এখন আমার স্ত্রীকে হিলাবিয়ে ছাড়া ফিরিয়ে আনার উপায় কি সঠিক পরামর্শ দিবেন ইনশাআল্লাহ।
সমাধান:
بسم الله الرحمن الرحيم، حامدا ومصليا ومسلما
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তিন তালাক কার্যকর হয়ে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। কেননা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিলেও তালাক কার্যকর হয়ে যায়।এখন ঐ স্ত্রীকে নিয়ে আর স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করা বৈধ হবে না। তবে যদি আপনার স্ত্রী তালাকের ইদ্দত শেষ করার পর অর্থাৎ ঋতুমতী হলে তিনটি ঋতু। আর গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং দ্বিতীয় স্বামী সহবাস করার পর যদি কোন কারণে তালাক দেয় বা মারা যায় তাহলে তার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আপনারা পরস্পরে রাযি থাকলে নতুনভাবে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার করতে পারবেন। প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ছাড়া আপনাদের ঘর- সংসার করার বৈধ কোনো পদ্ধতি নেই।
উল্লেখ্য, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ অবস্থায় তালাক খুবই অপছন্দনীয় ও গর্হীত কাজ। তাই এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতি প্রয়োজন ছাড়া তা প্রয়োগ করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। যদি কখনো তালাক দিতেই হয় তাহলে পরামর্শ অনুযায়ী এক তালাকের বেশি দেওয়া উচিত নয়। তাও শান্ত পরিবেশে, রাগের পরিবেশে নয়।
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তিন তালাক কার্যকর হয়ে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। কেননা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিলেও তালাক কার্যকর হয়ে যায়।এখন ঐ স্ত্রীকে নিয়ে আর স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করা বৈধ হবে না। তবে যদি আপনার স্ত্রী তালাকের ইদ্দত শেষ করার পর অর্থাৎ ঋতুমতী হলে তিনটি ঋতু। আর গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং দ্বিতীয় স্বামী সহবাস করার পর যদি কোন কারণে তালাক দেয় বা মারা যায় তাহলে তার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আপনারা পরস্পরে রাযি থাকলে নতুনভাবে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার করতে পারবেন। প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ছাড়া আপনাদের ঘর- সংসার করার বৈধ কোনো পদ্ধতি নেই।
উল্লেখ্য, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ অবস্থায় তালাক খুবই অপছন্দনীয় ও গর্হীত কাজ। তাই এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতি প্রয়োজন ছাড়া তা প্রয়োগ করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। যদি কখনো তালাক দিতেই হয় তাহলে পরামর্শ অনুযায়ী এক তালাকের বেশি দেওয়া উচিত নয়। তাও শান্ত পরিবেশে, রাগের পরিবেশে নয়।
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তিন তালাক কার্যকর হয়ে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। কেননা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিলেও তালাক কার্যকর হয়ে যায়।এখন ঐ স্ত্রীকে নিয়ে আর স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করা বৈধ হবে না। তবে যদি আপনার স্ত্রী তালাকের ইদ্দত শেষ করার পর অর্থাৎ ঋতুমতী হলে তিনটি ঋতু। আর গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং দ্বিতীয় স্বামী সহবাস করার পর যদি কোন কারণে তালাক দেয় বা মারা যায় তাহলে তার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আপনারা পরস্পরে রাযি থাকলে নতুনভাবে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার করতে পারবেন। প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ছাড়া আপনাদের ঘর- সংসার করার বৈধ কোনো পদ্ধতি নেই।
উল্লেখ্য, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ অবস্থায় তালাক খুবই অপছন্দনীয় ও গর্হীত কাজ। তাই এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতি প্রয়োজন ছাড়া তা প্রয়োগ করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। যদি কখনো তালাক দিতেই হয় তাহলে পরামর্শ অনুযায়ী এক তালাকের বেশি দেওয়া উচিত নয়। তাও শান্ত পরিবেশে, রাগের পরিবেশে নয়।
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তিন তালাক কার্যকর হয়ে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। কেননা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিলেও তালাক কার্যকর হয়ে যায়।এখন ঐ স্ত্রীকে নিয়ে আর স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করা বৈধ হবে না। তবে যদি আপনার স্ত্রী তালাকের ইদ্দত শেষ করার পর অর্থাৎ ঋতুমতী হলে তিনটি ঋতু। আর গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং দ্বিতীয় স্বামী সহবাস করার পর যদি কোন কারণে তালাক দেয় বা মারা যায় তাহলে তার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আপনারা পরস্পরে রাযি থাকলে নতুনভাবে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার করতে পারবেন। প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ছাড়া আপনাদের ঘর- সংসার করার বৈধ কোনো পদ্ধতি নেই।
উল্লেখ্য, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ অবস্থায় তালাক খুবই অপছন্দনীয় ও গর্হীত কাজ। তাই এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতি প্রয়োজন ছাড়া তা প্রয়োগ করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। যদি কখনো তালাক দিতেই হয় তাহলে পরামর্শ অনুযায়ী এক তালাকের বেশি দেওয়া উচিত নয়। তাও শান্ত পরিবেশে, রাগের পরিবেশে নয়।
প্রশ্নোক্ত ক্ষেত্রে শরীয়তের বিধান অনুযায়ী আপনার স্ত্রীর উপর তিন তালাক কার্যকর হয়ে আপনাদের বৈবাহিক সম্পর্ক সম্পূর্ণরূপে ছিন্ন হয়ে গেছে। আপনারা একে অপরের জন্য হারাম হয়ে গেছেন। কেননা পরিস্থিতির শিকার হয়ে তালাক দিলেও তালাক কার্যকর হয়ে যায়।এখন ঐ স্ত্রীকে নিয়ে আর স্বাভাবিকভাবে ঘর-সংসার করা বৈধ হবে না। তবে যদি আপনার স্ত্রী তালাকের ইদ্দত শেষ করার পর অর্থাৎ ঋতুমতী হলে তিনটি ঋতু। আর গর্ভবতী হলে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর স্বেচ্ছায় অন্যত্র বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয় এবং দ্বিতীয় স্বামী সহবাস করার পর যদি কোন কারণে তালাক দেয় বা মারা যায় তাহলে তার ইদ্দত শেষ হওয়ার পর আপনারা পরস্পরে রাযি থাকলে নতুনভাবে দু'জন সাক্ষীর উপস্থিতিতে মোহর ধার্য করে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে ঘর-সংসার করতে পারবেন। প্রশ্নোক্ত বিবরণ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া ছাড়া আপনাদের ঘর- সংসার করার বৈধ কোনো পদ্ধতি নেই।
উল্লেখ্য, শরীয়তের দৃষ্টিতে সাধারণ অবস্থায় তালাক খুবই অপছন্দনীয় ও গর্হীত কাজ। তাই এ ব্যাপারে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অতি প্রয়োজন ছাড়া তা প্রয়োগ করা কিছুতেই বাঞ্ছনীয় নয়। যদি কখনো তালাক দিতেই হয় তাহলে পরামর্শ অনুযায়ী এক তালাকের বেশি দেওয়া উচিত নয়। তাও শান্ত পরিবেশে, রাগের পরিবেশে নয়।
في الدر المختار (٤/٤٢٧) ويقع طلاق كل زوج بالغ عاقل ولو عبدا أو مكرهافإن طلاقه صحيح۞
وفي مجمع الأنهر(٢/٧-٨) ويقع طلاق كل زوج عاقل بالغ ولو مكرها أو سكران۞
وفي كتاب النوازل (٩/٢١٢) الجواب : حنفیہ کے نزدیک زبانی جبراطلاق دینے سے طلاق واقع ہو جاتی ہے ۔ اور طلاق میں دل کے ارادہ کا اعتبار نہیں۔ بلکہ زبان کے الفاظ کا اعتبار ہے ۔ لہذا بر تقدیر صحبت واقعہ مذکورہ صورت میں آپ کی بیوی... پر تینوں طلاقیں واقع ہو چکی ہیں ۔اب حلالہ شرعیہ کے بغیر اس سے ازدواجی تعلق آپ کے لئے حلال نہیں۔۞
وفی فتاوی دارالعلوم دیوبند(٤//٢١٧) الجواب: بصورت مسئلہ بجبر اکراہ طلاق لکھنے سے تعلق واقع نہ ہوگی ہاں زبان سے طلاق دیدے تو مکرہ کی طلاق واقع ہو جائے گی ۞انتهى والله اعلم بالصواب
অনলাইন ফাতওয়া || ফাতওয়া বিভাগ || আল জামি'আতুল আরাবিয়া দারুল হিদায়াহ